রাজশাহীর তানোরের বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি)শিবরামপুর গ্রামে রাতারাতি মন্দির কমিটি গঠন করে অন্যর ভোগদখলীয় সম্পত্তি জবরদখল চেস্টার অভিযোগ উঠেছে।
এনিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য উঠে এসেছে-চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নামো শংকরবাটি এলাকার খাইরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম ও কায়েম আলী বলেন, ক্রয় সুত্রে ও আদালতের ৪টি ডিগ্রী মুলে তারা বংশপরম্পরায় প্রায় ৫০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে এসব সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছেন।কিন্ত্ত ভুমিগ্রাসী একটি চক্র স্থানীয় কিছু ক্ষুদ্রনৃ-গোষ্ঠী মানুষকে লেলিয়ে দিয়ে এসব সম্পত্তি জবরদখলের চেস্টা করছে।
এমনকি রাতারাতি কথিত মন্দির কমিটি গঠন করে বহিরাগত ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় জমি দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে।তাদের দাবি সম্পত্তি যদি মন্দির কমিটি পায় তাহলে তারা আইনের আশ্রয় নিবেন,আইন অনুযায়ী সম্পত্তি পেলে তারা স্বেচ্ছায় সম্পত্তি ছেড়ে দিবেন।কিন্ত্ত বহিরাগত ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে সম্পত্তি জবরদখলের চেস্টা করছে কেন ?
অপরদিকে মন্দির কমিটির দাবি তাদের সম্পত্তি প্রতিপক্ষ খাইরুল ইসলাম জাল দলিল করো দীর্ঘদিন যাবত জবরদখল করে রেখেছেন।
এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার(১১সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন এলাকার কিছু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মানুষকে ভাড়া দিয়ে নিয়ে এসে সম্পত্তি ওপর কথিত মানববন্ধন করা হয়েছে।আর এই মানববন্ধনের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসির মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়। তারা বলছে, ৫০ বছর পর কেনো এবং কার স্বার্থে এমন সাজানো মানববন্ধন ? মানববন্ধন করে যদি জমির মালিকানা আদায় যায় তাহলে আইন-আদালত কি জন্য রয়েছে।এখন এই মানববন্ধনের প্রতিবাদে খাইরুল যদি এর ১০ গুন বেশী মানুষ পাল্টা মানববন্ধন করে তাহলে ? কাগজ যার জমি তার। তাই এই এলাকার শান্তিপুর্ণ পরিবেশ ও সহাবস্থান ধরে রাখতে উভয় পক্ষকে আদালতের আশ্রয় নিতে হবে।
উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই আদালত সিদ্ধান্ত দিবেন সম্পত্তির মালিক কে ?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য (মেম্বার) বলেন,তিনি জন্মের পর থেকে দেখছেন এসব সম্পত্তি খাইরুল ইসলাম দ্বিগর চাষাবাদ করে আসছেন।তিনি বলেন,মন্দির কমিটি সম্পত্তি নিয়ে জেলা প্রশাসক(ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন, এমনকি আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। আইন-আদালতের আশ্রয় নেয়ার পরেও কার স্বার্থে এমন মানববন্ধন ? তিনি বলেন, তারা এসব করে প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, মন্দির কমিটি সম্পত্তি দাবি করছে, আবার বহিরাগত ভাড়াটিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ এসব সম্পত্তি জবরদখলের চেস্টা করছে।তিনি বলেন,বিভিন্ন এলাকা থেকে টাকা দিয়ে মানুষ নিয়ে এসে মানববন্ধনের নামে এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নস্ট করা হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, আইন-আদালতের আশ্রয় নিয়েও এভাবে কথিত মানববন্ধনের নামে এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নস্ট কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। এ মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি দাঙ্গা-মারামারি বা খুন-জখমের মতো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে তবে তার দায়ভার মানববন্ধন আয়োজকদের নিতে হবে। একই সঙ্গে জবরদখল চেস্টা পক্রিয়ার সঙ্গে বহিরাগত ভাড়াটিয়া বাহিনী হিসেবে যারা কাজ করছে তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় নিতে হবে।কোনো অবস্থাতেই এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে দেয়া যাবে না।স্থানীয় সচেতন মহল এবিষয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রসঙ্গত, ইতিপূর্বে দেবোত্তর সম্পত্তি রক্ষার দাবি করে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন মন্দির কমিটি,আদালতে মামলা চলমান। অথচ আইনিভাবে মোকাবেলা না করে মানববন্ধন ও সম্পত্তি জবরদখলের চেস্টা কেন ? এটা কার স্বার্থে ?।
এনিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য উঠে এসেছে-চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নামো শংকরবাটি এলাকার খাইরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম ও কায়েম আলী বলেন, ক্রয় সুত্রে ও আদালতের ৪টি ডিগ্রী মুলে তারা বংশপরম্পরায় প্রায় ৫০ বছর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে এসব সম্পত্তি ভোগদখল করে আসছেন।কিন্ত্ত ভুমিগ্রাসী একটি চক্র স্থানীয় কিছু ক্ষুদ্রনৃ-গোষ্ঠী মানুষকে লেলিয়ে দিয়ে এসব সম্পত্তি জবরদখলের চেস্টা করছে।
এমনকি রাতারাতি কথিত মন্দির কমিটি গঠন করে বহিরাগত ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় জমি দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে।তাদের দাবি সম্পত্তি যদি মন্দির কমিটি পায় তাহলে তারা আইনের আশ্রয় নিবেন,আইন অনুযায়ী সম্পত্তি পেলে তারা স্বেচ্ছায় সম্পত্তি ছেড়ে দিবেন।কিন্ত্ত বহিরাগত ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে সম্পত্তি জবরদখলের চেস্টা করছে কেন ?
অপরদিকে মন্দির কমিটির দাবি তাদের সম্পত্তি প্রতিপক্ষ খাইরুল ইসলাম জাল দলিল করো দীর্ঘদিন যাবত জবরদখল করে রেখেছেন।
এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার(১১সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন এলাকার কিছু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মানুষকে ভাড়া দিয়ে নিয়ে এসে সম্পত্তি ওপর কথিত মানববন্ধন করা হয়েছে।আর এই মানববন্ধনের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসির মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়। তারা বলছে, ৫০ বছর পর কেনো এবং কার স্বার্থে এমন সাজানো মানববন্ধন ? মানববন্ধন করে যদি জমির মালিকানা আদায় যায় তাহলে আইন-আদালত কি জন্য রয়েছে।এখন এই মানববন্ধনের প্রতিবাদে খাইরুল যদি এর ১০ গুন বেশী মানুষ পাল্টা মানববন্ধন করে তাহলে ? কাগজ যার জমি তার। তাই এই এলাকার শান্তিপুর্ণ পরিবেশ ও সহাবস্থান ধরে রাখতে উভয় পক্ষকে আদালতের আশ্রয় নিতে হবে।
উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই আদালত সিদ্ধান্ত দিবেন সম্পত্তির মালিক কে ?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য (মেম্বার) বলেন,তিনি জন্মের পর থেকে দেখছেন এসব সম্পত্তি খাইরুল ইসলাম দ্বিগর চাষাবাদ করে আসছেন।তিনি বলেন,মন্দির কমিটি সম্পত্তি নিয়ে জেলা প্রশাসক(ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন, এমনকি আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। আইন-আদালতের আশ্রয় নেয়ার পরেও কার স্বার্থে এমন মানববন্ধন ? তিনি বলেন, তারা এসব করে প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, মন্দির কমিটি সম্পত্তি দাবি করছে, আবার বহিরাগত ভাড়াটিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ এসব সম্পত্তি জবরদখলের চেস্টা করছে।তিনি বলেন,বিভিন্ন এলাকা থেকে টাকা দিয়ে মানুষ নিয়ে এসে মানববন্ধনের নামে এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নস্ট করা হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, আইন-আদালতের আশ্রয় নিয়েও এভাবে কথিত মানববন্ধনের নামে এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নস্ট কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। এ মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি দাঙ্গা-মারামারি বা খুন-জখমের মতো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে তবে তার দায়ভার মানববন্ধন আয়োজকদের নিতে হবে। একই সঙ্গে জবরদখল চেস্টা পক্রিয়ার সঙ্গে বহিরাগত ভাড়াটিয়া বাহিনী হিসেবে যারা কাজ করছে তাদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় নিতে হবে।কোনো অবস্থাতেই এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে দেয়া যাবে না।স্থানীয় সচেতন মহল এবিষয়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রসঙ্গত, ইতিপূর্বে দেবোত্তর সম্পত্তি রক্ষার দাবি করে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন মন্দির কমিটি,আদালতে মামলা চলমান। অথচ আইনিভাবে মোকাবেলা না করে মানববন্ধন ও সম্পত্তি জবরদখলের চেস্টা কেন ? এটা কার স্বার্থে ?।
আলিফ হোসেন